এপ্রিল ৩, ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম
দেশের অন্তত ২২টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ যা আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও বিস্তৃতি লাভ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী এক দিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে যে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা আরও সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ ও নীলফামারী জেলাসহ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ অঞ্চলের ওপর দিয়ে এই তপ্ত আবহাওয়া বিরাজ করছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে যে লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান নেওয়ার কারণে ভূখণ্ডে গরমের তীব্রতা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।
চুয়াডাঙ্গায় গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র এই গরমে জনজীবন ও স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে বলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষদের জন্য ঘরের বাইরে দীর্ঘ সময় কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।তবে গরমের এই দাপটের মধ্যেই সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
শনিবার সকালের মধ্যে সিলেটের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ চমকানোসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের আকাশ মূলত আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া অফিস বলছে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি কমার সম্ভাবনা নেই বরং পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে তাপপ্রবাহের পরিধি আরও বাড়তে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে সর্বোচ্চ ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে যা সেখানকার জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি এনেছে। তবে রাজধানীসহ অন্যান্য বড় শহরে শুষ্ক ও তপ্ত আবহাওয়া আরও কয়েক দিন বজায় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে প্রচুর পানি পান করার এবং প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন