রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

সন্ধ্যার মধ্যে ৮০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা যেসব অঞ্চলে

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১০:১৩ এএম

সন্ধ্যার মধ্যে ৮০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা যেসব অঞ্চলে

আকাশে মেঘের ঘনঘটা

দেশের পাঁচটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে আজ সন্ধ্যার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে তীব্র ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া আরও আটটি অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ঝড়ের পাশাপাশি এসব এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। 

সোমবার সকালে আবহাওয়া অফিসের দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। 

এই প্রবল ঝড়ের সময় বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এসব অঞ্চলের নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।

একই সময়ে ঢাকা, মাদারীপুর, ফরিদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় এই অঞ্চলগুলোর নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বিকেলের পর থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হতে শুরু করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল ও এর আশপাশে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বা তার বেশি বৃষ্টিপাতের ফলে নিচু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এপ্রিলের শেষ সময়ে এসে কালবৈশাখীর এই প্রবণতা অত্যন্ত স্বাভাবিক। তবে হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টির তীব্রতা বাড়লে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নদীবন্দর এলাকায় নৌযান চলাচলে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে বৃষ্টির তীব্রতা বেশি হওয়ায় কৃষি ও ফসলের সুরক্ষায়ও কৃষকদের সচেতন থাকার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।