মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর, ২০২৬,

দুগ্ধ খামারীদের প্রতিবাদ ও সখীপুরে সম্ভাবনাময় অ্যাভোকাডো চাষ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ২, ২০২৫, ০৬:৩৭ পিএম

দুগ্ধ খামারীদের প্রতিবাদ ও সখীপুরে সম্ভাবনাময় অ্যাভোকাডো চাষ

ভোলার মেঘনার পাড়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এক তরুণ সফলভাবে হাঁসের খামার গড়ে তুলেছেন, যা শীতের মৌসুমে অতিথি আপ্যায়ন ও পিকনিকের ঐতিহ্যবাহী হাঁসের মাংসের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখছে। সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের রামদাসপুর গ্রামের যুবক মিজান এই খামারের উদ্যোক্তা, যার খামারে বর্তমানে ৭০০টিরও বেশি হাঁস রয়েছে।

মিজান জানান, এই হাঁসগুলোর জন্য প্রতিদিন ১৫০ কেজি গম প্রয়োজন হয় এবং তিনি আশা করছেন শীতে প্রতিটি হাঁস ৬০০ থেকে ৬৬০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। তার এই সফলতা দেখে এলাকার অনেকেই খামার তৈরিতে আগ্রহী হচ্ছেন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরও জানিয়েছে, জেলার তরুণরা হাঁস পালনে আগ্রহী হয়ে উঠছেন, যা তিন থেকে চার মাসের পালনে অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনে সক্ষম।

হাঁস পালনের এই সফলতার খবরের পাশাপাশি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে খামারীরা মিল্ক ভিটায় দুধ সরবরাহ বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। ছয় দফা দাবিতে, যার মধ্যে দুধের দাম বৃদ্ধি এবং সমবায় ভিত্তিক কমিটি গঠন অন্যতম, খামারীরা রবিবার সকাল থেকে দুধ সংগ্রহ করেও তা মিল্ক ভিটায় সরবরাহ করেননি। তাদের অভিযোগ, গো-খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির অনুপাতে মিল্ক ভিটা কর্তৃপক্ষ দুধের দাম বাড়ায়নি। খামারীরা প্রতি লিটার দুধের দাম ৬০ টাকা করার দাবি জানিয়েছেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত দুধ সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন।

এদিকে, কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার চিত্র দেখা গেছে টাঙ্গাইলের সখীপুরে, যেখানে বিশ্বের অন্যতম সুপারফুড হিসেবে পরিচিত অ্যাভোকাডোর আবাদ হচ্ছে। ছাত্রীবান্দা ইউনিয়নের কালিমগড় এলাকায় অধ্যাপক ডাক্তার এমএস সামাদ পরীক্ষামূলকভাবে শতাধিক অ্যাভোকাডো গাছ লাগিয়েছেন। তিনি জানান, এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ই, কে, পটাশিয়াম, কপার ও ফোলেট রয়েছে, যা স্বাস্থ্য, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং গর্ভবতী মায়েদের জন্য উপকারী। গবেষকরা বলছেন, মধুপুর ট্র্যাকের লাল মাটিতে পরিকল্পিতভাবে আবাদ করা হলে এই ফল দেশের পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে। কৃষির এসব খবরের মধ্যেই মেহেরপুরের মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের আয়োজনে একটি কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মশালায় ভ্রাম্যমাণ মৃত্তিকা পরীক্ষাগারের জন্য নমুনা সংগ্রহ, সুষম সার ব্যবহার এবং ভেজাল সার শনাক্তকরণ বিষয়ে উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ৫০ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।