জুন ১৭, ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় পৃথক দুটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার তদন্তে জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ ও নিবিড় তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। মঙ্গলবার চিরিরবন্দর থানার আত্রাই নদী থেকে উদ্ধার হওয়া দুটি অজ্ঞাতনামা লাশ এবং নশরতপুর ইউনিয়নে সংঘটিত একটি ধর্ষণ মামলার ঘটনাস্থল স্বশরীরে পরিদর্শন করেছেন দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জেদান আল মুসা পুলিশ পদকপ্রাপ্ত।
তিনি অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে মাঠ পর্যায়ের প্রকৃত অবস্থা খতিয়ে দেখতে এই পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে মামলার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটনে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।চিরিরবন্দর থানা পুলিশের পেশাদার অভিযানে ধর্ষণ মামলায় জড়িত মূল আসামিদের ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশের দাপ্তরিক সূত্র থেকে জানা গেছে যে চিরিরবন্দর উপজেলার লক্ষিতলা ব্রিজের দক্ষিণ পাশে আত্রাই নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় দুই অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
এই ঘটনার পর পরই থানা পুলিশ লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে নামে। একই সাথে উপজেলার এক নম্বর নশরতপুর ইউনিয়নের কোম্পানীর মোড় সংলগ্ন ফকিরপাড়া এলাকায় সংঘটিত একটি নারী নির্যাতনের ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করেন জেলা পুলিশ প্রধান। তিনি সেখানে ভুক্তভোগীর পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে স্থানীয় কর্মকর্তাদের তাগিদ দেন।
অপরাধীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন যে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো অপরাধ দমনে দিনাজপুর জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত অপরাধের ঘটনায় কোনো ধরনের ছাড় না দিয়ে দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। দিনাজপুর জেলা পুলিশের এমন তাৎক্ষণিক ও কঠোর আইনি তৎপরতাকে স্থানীয় বাসিন্দারা অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন