সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬,
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি

দিনাজপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু: বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন কর্মীরা

মো: মামুনুর রশিদ

অক্টোবর ১২, ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম

দিনাজপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু: বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন কর্মীরা

ছবি: দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীদের বাড়ি বাড়ি উপস্থিতির মধ্য দিয়ে। ‍‍`ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক‍‍`—এই স্লোগানকে ধারণ করে সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ে নিয়ে আসতে এই কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং দিনাজপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের শহর সমাজসেবা অফিসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। 

দিনাজপুর সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন এবং দিনাজপুর পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণ শেষে সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়। প্রশিক্ষণের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাইনুল ইসলাম এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা গোলাম আজম।

বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অনুযায়ী, সদর উপজেলার ১ নম্বর চেহেলগাজী ইউনিয়ন, ২ নম্বর সুন্দরবন ইউনিয়ন ও ৩ নম্বর ফাজিলপুর ইউনিয়নে ১২ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৩ জন সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করছেন।

একই সঙ্গে দিনাজপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড, ৩ নম্বর ওয়ার্ড এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১৮ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ২ জন সুপারভাইজার এই কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই দুই দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবশিষ্ট ইউনিয়ন এবং পৌর ওয়ার্ডগুলোর তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ পর্যায়ক্রমে আয়োজন করা হবে।

মাঠপর্যায়ে নির্ভুল ও স্বচ্ছ তথ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করতে প্রতিটি কর্মীর হাতে একটি করে ডিজিটাল ট্যাব তুলে দেওয়া হয়েছে।

কর্মীরা সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ট্যাবের মাধ্যমে তথ্যভাণ্ডারে তথ্য যুক্ত করছেন। ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পেতে প্রতিটি পরিবারকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কর্মসূচির শর্তানুযায়ী, সুবিধাভোগী পরিবারের প্রধান নারীকে অবশ্যই ১৮ বছরের বেশি বয়সী হতে হবে।

তথ্য সংগ্রহের সময় পরিবারের প্রধান নারীর সচিত্র জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদর্শন করতে হবে। এর পাশাপাশি তার নামে নিবন্ধিত সচল বিকাশ বা নগদ মুঠোফোন ব্যাংকিং হিসাব নম্বর অথবা যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের হিসাবের বিবরণ এবং প্রধান নারীর এক কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি তথ্য সংগ্রহকারী কর্মীদের কাছে জমা দিতে হবে।