শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

রেকর্ড দামে স্বর্ণ যেনে নিন আজ কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১০:৩৮ এএম

রেকর্ড দামে স্বর্ণ যেনে নিন আজ কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে

রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের বাজার

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ শুক্রবার দেশের বাজারে নতুন নির্ধারিত মূল্যে মূল্যবান এই ধাতু বিক্রি হচ্ছে। এর আগে গত বুধবার বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়ানোর এই নতুন ঘোষণা প্রদান করে।

সর্বশেষ সমন্বয় অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি বা ১১.৬৬৪ গ্রাম ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা।

স্বর্ণের অন্যান্য ক্যারেটের দামও সমানভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের বর্তমান বাজার দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা।

এর আগে গত ৩১ মার্চ সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১১ টাকা। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে বাজার পরিস্থিতির কারণে আবারও এই উর্ধ্বমুখী পরিবর্তন আনতে হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৫১ বার স্বর্ণের দাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ বার দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ২১ বার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা এবং মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবে স্থানীয় বাজারে এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৯৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম মোট ৩০ বার সমন্বয় করা হয়েছে যার মধ্যে ১৭ বারই দাম বেড়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা এবং ডলারের বিনিময় হারের পরিবর্তনের কারণে স্থানীয় বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে এই ধরণের বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এই ক্রমবর্ধমান মূল্য বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।