ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ০৫:০৪ পিএম
দেশের প্রতিটি মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাদ্রাসার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী, শ্রেষ্ঠ শ্রেণি-শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধানগণকে স্ব স্ব ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে সরকার প্রতিবছর জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ কর্মসূচি গ্রহণ করে।
এই কর্মসূচি ২০২৬ সালে সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার এই নীতিমালাটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন স্বাক্ষরিত এই নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।
"জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন নীতিমালা ২০২৬" নামে এটি অভিহিত হবে এবং এই নীতিমালা অনুসরণ করে প্রতি বছর জানুয়ারি মাস থেকে কার্যক্রম শুরু করতে হবে।নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধিক্ষেত্রভুক্ত মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাদ্রাসায় জাতীয় সহপাঠ্যক্রম ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মসূচিতে মোট ১৯টি ইভেন্টে পুরস্কার প্রদান করা হবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে যোগ্য, মেধাবী এবং শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন এমন প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শ্রেণি শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরকে নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে এই পুরস্কার দেওয়া হবে।
১. সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইভেন্টগুলোতে শিক্ষার্থী বা দল নির্বাচন করে প্রথমে উপজেলায় প্রেরণ করবে। ২. উপজেলা পর্যায়ের বিজয়ীরা জেলায় অংশগ্রহণ করবে। ৩. জেলা পর্যায়ের বিজয়ীরা অঞ্চলে এবং অঞ্চল পর্যায়ের বিজয়ীরা চূড়ান্তভাবে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবেন।
এই পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পারদর্শী বা বিশেষজ্ঞগণের সমন্বয়ে গঠিত বিচারক প্যানেলের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন