ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বা এনসিটি বিদেশি অপারেটরের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলন করায় আরও সাত কর্মচারীকে বদলি করেছে কর্তৃপক্ষ। জরুরি দাপ্তরিক ও অপারেশনাল প্রয়োজনের কথা বলে তাদের ঢাকা ও কেরানীগঞ্জে বদলি করা হয়েছে। এ নিয়ে গত দুদিনে মোট ১১ জন কর্মচারীকে শাস্তিমূলক বদলির আওতায় আনা হলো।
এদিকে এনসিটি ইজারার সিদ্ধান্ত এবং সহকর্মীদের বদলির প্রতিবাদে আজ সোমবারও কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। এর আগে রোববার দিনভর কর্মবিরতির কারণে বন্দরের কার্যক্রম কয়েক ঘণ্টা বন্ধ ছিল।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ বন্দর এলাকায় সব ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ ও মানববন্ধন নিষিদ্ধ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। বন্দরের প্রবেশমুখ ও কাস্টমস মোড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ যে প্রায় ১৮০ জন শ্রমিক-কর্মচারীর একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে যাদের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন যে ইজারা প্রক্রিয়া বাতিল ও বদলির আদেশ প্রত্যাহার না করা হলে আন্দোলন আরও তীব্র করা হবে। অন্যদিকে পুলিশ বলছে যে দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে বন্দরকে সচল রাখতে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
বিনা দরপত্রে বিদেশি কোম্পানিকে এনসিটি ইজারা দেওয়ার এই প্রক্রিয়াকে জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে দাবি করছেন আন্দোলনরত শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। বন্দরে বর্তমানে এক ধরনের থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন