রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা আজ: জরুরি গাইডলাইন

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১০:২৪ এএম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা আজ: জরুরি গাইডলাইন

ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের নির্বাচিত ১৩৮টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। এ বছর উচ্চশিক্ষার এই যুদ্ধে ৪ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৫টি আসনের বিপরীতে লড়াই করছেন প্রায় সমসংখ্যক অর্থাৎ ৪ লাখ ৫৩ হাজার পরীক্ষার্থী। 

অর্থাৎ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি আসনের জন্য গড়ে প্রায় দুইজন শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১০ দফা বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে। 

নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে পৌঁছাতে হবে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর কোনোভাবেই আর কোনো পরীক্ষার্থীকে হলে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে না। এছাড়া মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর বা যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

উত্তরপত্রে কেবল কালো কালির বল পয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে বলা হয়েছে; পেনসিল বা অন্য কোনো কালি ব্যবহার করলে উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।প্রবেশপত্র নিয়ে বিশেষ জটিলতা নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছে। যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইন থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারেননি, তারা প্রাথমিক আবেদন ফরম, এইচএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং মুঠোফোনে প্রাপ্ত রোল নম্বর নিয়ে কেন্দ্রে উপস্থিত হলে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবেন।

 

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনপত্রের ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর চেহারার মিল থাকতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কলেজ থেকে আবেদনটি নিশ্চিত (Confirm) হতে হবে। ওএমআর শিট পূরণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার ভুল বা সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।১০০ নম্বরের এই ভর্তি পরীক্ষা এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—তিনটি শাখার জন্যই বাংলা ও ইংরেজিতে ২০ করে এবং সাধারণ জ্ঞানে ২০ নম্বর থাকবে। 

এছাড়া শাখাভেদে উচ্চমাধ্যমিকের বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নের ওপর থাকবে ৪০ নম্বর। পরীক্ষায় পাস নম্বর ধরা হয়েছে ৩৫। ভর্তি পরীক্ষার ফলের সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ-র যথাক্রমে ৪০ ও ৬০ শতাংশ নম্বর যুক্ত করে চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হবে। পরীক্ষা চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত করা হয়েছে।