রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

৫দফা দাবিতে রাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন কর্মসূচি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

আগস্ট ১১, ২০২৬, ১০:০১ এএম

৫দফা দাবিতে রাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন কর্মসূচি

ছবি : সংগৃহীত

উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা, আবাসিক ও পরিবহন সংকট নিরসন এবং প্রকল্প পরিচালকের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বা রাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন আশ্বাসের কথা জানানো হলেও সন্তুষ্ট না হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। সোমবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

দুপুর আড়াইটা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমরণ অনশন শুরু হওয়ার পর রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে।আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে একটি ঘৃণা মঞ্চ উদ্বোধন করেন এবং তাঁকে প্রতীকী স্মারক প্রদান করেন। তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে চলমান উন্নয়নকাজ দ্রুত শেষ করা, আবাসন ও পরিবহন সংকটের স্থায়ী সমাধান, আগের উপাচার্যের সময়কার নিয়োগ প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত প্রকল্প পরিচালকের অবিলম্বে পদত্যাগ। 

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ যে প্রকল্প পরিচালকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মারাত্মক অসংগতি রয়েছে এবং তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী বাদশা সুলেমান এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মুনতাসিরুল আলম গণমাধ্যমকে জানান যে গত ২৮ জুলাই দুই দফা দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়ার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়েই তাঁরা এই কঠোর কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। অনশন চলাকালীন একজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও প্রক্টর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি শোনার পর সমাধানের আশ্বাস দেন। তবে সুনির্দিষ্ট ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ না দেখা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়াবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন যে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ বা বাতিলের বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত হওয়ায় তাঁরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেছেন।