বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬,
গবেষণা সাফল্য

বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ৮, ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম

বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক

বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর ২০২৬ সালের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইশ জন শিক্ষক ও গবেষক স্থান পেয়েছেন। একই গবেষণাভিত্তিক মূল্যায়নে বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকাতেও প্রথম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের উদ্যোগে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এলসেভিয়ারের স্কোপাস ডেটাবেজ ব্যবহার করে তৈরি এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, গবেষণার ধারাবাহিকতা এবং সহলেখকদের গবেষণাগত প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনায় নিয়ে তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়। ২০২৬ সালের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পাওয়া বাইশ শিক্ষক ও গবেষক হলেন মো. রাকিবুল হক, আবদুস সালাম, মো. মাহবুবুর রহমান, তসলিম উর রশিদ, মুহাম্মদ ইব্রাহিম শাহ, এম. রেজাউল ইসলাম, সুবর্ণ বড়ুয়া, নেপাল চন্দ্র রায়, মো. কাওসার আহমেদ, সৈকত মিত্র, এম. এ. বি. এইচ. সুসান, মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, শেখ মো. মাহমুদুল ইসলাম, মো. আবদুস সালাম, খন্দকার সামাহের সালেম, মোহাম্মদ ফেরদৌস, মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, মো. আব্দুর রাজ্জাক, এ. এস. এম. মাকসুদ কামাল, মো. আবদুর রশীদ ও অর্ক জ্যোতি চক্রবর্তী।

এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও গবেষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উপাচার্য বলেন, বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইশ জন শিক্ষক ও গবেষকের স্থান পাওয়া অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি গবেষণার মান ও আন্তর্জাতিক প্রভাবের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান নয়, গবেষণা ও জ্ঞান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকরা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গবেষণা করছেন এবং তাদের গবেষণা আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

গবেষণার পরিধি ও মান বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান উপাচার্য।

তিনি উল্লেখ করেন যে গবেষকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং তরুণ গবেষকদের উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক যেন আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় অবদান রাখতে পারেন, সে লক্ষ্যেই বর্তমানে কাজ চলছে।