অক্টোবর ১০, ২০২৬, ০৫:৫১ পিএম
মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য তিন থেকে ছয় মাসের ব্যবধানে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সরকার। আগামী ২০২৭ সাল থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। একই সঙ্গে ফেল করা শিক্ষার্থীদের উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘চ্যালেঞ্জড শিক্ষার্থী সম্মেলন-২০২৬’ শীর্ষক এক আলোচনায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। বেসরকারি সংস্থা গণস্বাক্ষরতা অভিযান ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টার ভাষ্য অনুযায়ী, ফেল করা শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করতেই এই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে মাহ্দী আমিন জানান, সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। সরকারের পরিকল্পনা হলো অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সুনির্দিষ্ট তালিকা প্রস্তুত করে তাদের জন্য উপযুক্ত ক্যারিয়ার গঠনের সুযোগ তৈরি করা। এর আওতায় তাদের সরাসরি ভাষা শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দ্রুত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
চলতি বছর পরীক্ষায় প্রায় ছয় লাখ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
এই বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো একক কারণ দায়ী নয় বলে উল্লেখ করেন মাহ্দী আমিন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন যাতে দীর্ঘমেয়াদে থমকে না যায়, সেজন্য ২০২৭ সাল থেকেই তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন