সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫, ০৪:৩৮ পিএম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে পরাজিত একাধিক প্যানেলের ভিপি ও জিএস প্রার্থীরা মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫) দুপুরে উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচন পুনর্বিবেচনার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল, স্বতন্ত্র, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ এবং বামপন্থী জোটের প্রার্থীরা।
তারা নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপন করেন এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, নীলক্ষেতের গাউসুল আজম সুপার মার্কেটে বিপুল সংখ্যক ব্যালট পাওয়া গেলেও নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে নির্বিকার। তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, অভিযোগের সঠিক জবাব না পেলে আন্দোলন চলবে।
অন্যান্য প্রার্থীরাও অভিযোগ করেন যে, ভোটার তালিকায় অনিয়ম, ব্যালটে ক্রমিক নম্বর না থাকা, ভোট গণনা নিয়ে অস্পষ্টতা, পোলিং এজেন্টদের বাধা দেওয়া, এবং একাধিকবার ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকার মতো গুরুতর সমস্যা ছিল। তারা এসব অনিয়মের কারণে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
প্রার্থীদের প্রধান অভিযোগগুলো ছিল:
-
ভোটার তালিকায় অনিয়ম: অনেক ভোটারের নামে আগেই স্বাক্ষর করা হয়েছিল এবং নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে চিহ্নিত ব্যালট সরবরাহ করা হয়।
-
ব্যালটে অনিয়ম: ব্যালটে কোনো ক্রমিক নম্বর ছিল না এবং কতগুলো ছাপানো হয়েছে তা প্রকাশ করা হয়নি।
-
ব্যালট ছাপানো: নির্বাচনের আগের দিন নীলক্ষেতে অরক্ষিত অবস্থায় বিপুল ব্যালট পাওয়া যায়।
-
ভোট গণনা: গণনার সফটওয়্যার নিয়ে প্রার্থীদের আস্থা নেই এবং পোলিং এজেন্টদের যথাযথভাবে যুক্ত করা হয়নি।
-
পোলিং এজেন্টে বাধা: অনেক এজেন্টকে আইডি না দেওয়ায় কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
-
কেন্দ্র সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি: ঘোষণায় ৮টি কেন্দ্র বলা হলেও ভোটের দিন ১৮টি কেন্দ্রে ভোট হয়।
-
নিরাপত্তা: বিএনসিসি, রোভার ও গার্লস গাইড সদস্যদের সহায়তায় বহিরাগতদের প্রবেশের অভিযোগ আছে।
প্রার্থীরা বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও পদক্ষেপ না এলে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন