অক্টোবর ১১, ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা নানা পাটেকারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হয়েছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে। চিকিৎসকদের বরাতে জানা গেছে, হৃদ্যন্ত্রে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়ে তীব্র হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। চিকিৎসকেরা তার এই প্রয়াণকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ৭৫ বছর বয়সে না-ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই প্রবীণ অভিনেতা।
সেদিন সকালে গোয়ায় নিজের বাসভবনে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটনের লক্ষ্যে মরদেহ গোয়া মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
চিকিৎসকদের পেশাদার দল ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দিয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নানা পাটেকার দীর্ঘদিন ধরে করোনারি আর্টারি ডিজিজে ভুগছিলেন। এর ফলে হৃদ্যন্ত্রে রক্ত সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় এবং তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান।
এদিকে গোয়া পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করছিলেন এই অভিনেতা। রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে তীব্র বুকে ব্যথা ও অসুস্থতার কথা জানিয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু আমেয় নায়েককে বার্তা পাঠান তিনি। পরবর্তীতে তিনি বন্ধুকে সরাসরি ফোনও করেন।
পুলিশ জানায়, রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে নানার পাঠানো সেই বার্তা দেখতে পান আমেয়। এরপর তিনি কালবিলম্ব না করে ডোনা পাওলায় অভিনেতার বাসভবনে ছুটে যান। সেখানে ড্রয়িংরুমের সোফায় ঘামে ভেজা অচেতন অবস্থায় অভিনেতাকে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। ময়নাতদন্তের ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হলেও গুণী এই শিল্পীকে হারিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে গভীর শোক বিরাজ করছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন