শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,

এআই ভিডিও শনাক্তে বড় পরিবর্তন আনছে ইউটিউব

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

মে ৩১, ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম

এআই ভিডিও শনাক্তে বড় পরিবর্তন আনছে ইউটিউব

ইউটিউবের নতুন লোগো

ভিডিও কনটেন্টে বাস্তব আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি দৃশ্যের পার্থক্য করা দিন দিন অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে। এই তীব্র বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করতে নিজেদের প্ল্যাটফর্মে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে ভিডিও শেয়ারিং মাধ্যম ইউটিউব। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এআই জেনারেটেড ভিডিও শনাক্ত করে সেগুলোতে সুনির্দিষ্ট লেবেল যুক্ত করবে।

পাশাপাশি এই লেবেলটি দর্শকদের সুবিধার্থে আরও বেশি দৃশ্যমান ও স্পষ্টভাবে দেখানোর নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।ইউটিউব জানিয়েছে যে তারা এমন নতুন অভ্যন্তরীণ সিগন্যাল ব্যবহার করবে যা বাস্থবের মতো দেখতে ফটো-রিয়ালিস্টিক এআই কনটেন্ট নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম। 

এর ফলে কোনো ভিডিও নির্মাতা যদি এআই ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরি করার পর তা প্রকাশ না-ও করেন, তবুও সিস্টেম নিজে থেকেই সেখানে লেবেল বসিয়ে দেবে। নতুন আপডেটে এআই লেবেলের অবস্থানও আগের তুলনায় সম্পূর্ণ পরিবর্তন করা হচ্ছে। 

দীর্ঘ মেয়াদের বড় ভিডিওতে এই বিশেষ লেবেল থাকবে ভিডিও প্লেয়ারের ঠিক নিচে এবং শর্টস ভিডিওতে এটি ভিডিওর ওপরই সরাসরি দেখা যাবে।এর ফলে সাধারণ দর্শকদের চোখে ওই সতর্কতামূলক লেবেলটি অনেক বেশি সহজে ও দ্রুত পড়বে।যদিও ২০২৪ সাল থেকে ইউটিউবে এআই ব্যবহার সম্পর্কে আগাম তথ্য জানানো বাধ্যতামূলক ছিল, তবে নতুন নিয়মে এটি আরও বেশি কঠোর হতে যাচ্ছে। 

কেউ যদি নিয়মিতভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার গোপন করার চেষ্টা করেন, তবে তাঁর ভিডিও মুছে ফেলা বা মনিটাইজেশন স্থায়ীভাবে বন্ধ করার মতো কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এছাড়া বাস্তব মানুষের মুখ বা পরিচয় ব্যবহার করে তৈরি করা ক্ষতিকর ডিপফেক কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে লাইকনেস ডিটেকশন ও রিমুভাল ফিচার আরও বেশি জোরদার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: পিসিম্যাক