জুলাই ২৫, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ পেয়েছেন অভিজ্ঞ মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী। প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগে দেশজুড়ে চলা তীব্র আন্দোলনের মুখে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করার পর তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলো।ভারতের রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সদ্য সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পর প্রহ্লাদ যোশীকে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।
বর্তমান নরেন্দ্র মোদি সরকারের মন্ত্রিসভায় তিনি এর আগে খাদ্য ও ভোক্তাবিষয়কমন্ত্রীর দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে আসছেন। দিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনের পঁয়ত্রিশতম দিনে পদত্যাগপত্র জমা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিজের পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন যে বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিকে কোনোভাবেই যেন কোনো ‘দেশবিরোধী শক্তি’ বা স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ব্যবহার করতে না পারে, সেজন্যই তিনি স্বেচ্ছায় পদচ্যুত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে আন্দোলন চলাকালে প্রহ্লাদ যোশী গণমাধ্যমকে বলেছিলেন যে বর্তমান সরকার দেশের সাধারণ শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজের স্বার্থ রক্ষায় সর্বদা সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি সেই সময় অভিযোগ করেছিলেন যে কিছু সমাজবিরোধী ও স্বার্থান্বেষী শক্তি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে জানান যে মোদি সরকার সব সময় শিক্ষার্থীদের পাশে আছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন যেকোনো অনিয়ম বা অবিচারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার থাকলেও আন্দোলনকে রাজনৈতিক অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার চক্রান্ত সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।শিক্ষামন্ত্রীর এই দায়িত্ব পরিবর্তনের পর দেশটির রাজনৈতিক ও শিক্ষাঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, নতুন মন্ত্রীর অধীনে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও সংকট নিরসনই হবে সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন