অক্টোবর ২০, ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম
প্রাণঘাতী ক্যান্সার রোগের ব্যয়বহুল চিকিৎসা সাধারণ মানুষের জন্য আরও সাশ্রয়ী করতে ১৩৭টি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। নতুন এই সরকারি সিদ্ধান্তের ফলে এসব জীবনরক্ষাকারী ওষুধের দাম সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসতে পারে।
ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৯ নভেম্বর থেকে সারা দেশে নতুন এই মূল্যকাঠামো কার্যকর হতে যাচ্ছে।
শনিবার ভারতের রাসায়নিক ও সার মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই মূল্য নিয়ন্ত্রণের নির্দেশনা জারি করেছে।
নতুন নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যবসায়ীরা কোনোভাবেই এসব ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (এমআরপি) ওপর ৩০ শতাংশের বেশি মুনাফা বা বাণিজ্য মার্জিন যুক্ত করতে পারবেন না।
মূল্য হ্রাসের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অন্তত ২০টিরও বেশি ভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত জটিল ও ব্যয়বহুল ইমিউনোথেরাপির ওষুধ।
এর পাশাপাশি স্তন, প্রোস্টেট, কোলন, ডিম্বাশয় এবং জরায়ুমুখের ক্যান্সারের মতো অতিপ্রচলিত রোগের গুরুত্বপূর্ণ ওষুধগুলোকেও এই সরকারি তালিকায় রাখা হয়েছে।
এর আগে ২০১৯ সালে প্রথম দফায় ৪২টি ক্যান্সারের ওষুধের দাম কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে এনেছিল ভারত সরকার। সেই সময় মূল্যসীমা বেঁধে দেওয়ায় বাজারে ওই ওষুধগুলোর দাম সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছিল।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগের সেই সফল উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার দ্বিতীয় ধাপে আরও বিপুলসংখ্যক জীবনরক্ষাকারী ওষুধকে এই নিয়ন্ত্রিত মূল্য তালিকার আওতায় আনা হলো।
ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক চাপ কমানো এবং বাজারে অতিপ্রয়োজনীয় ওষুধগুলোর সহজলভ্যতা নিশ্চিত করাই এই দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের প্রধান উদ্দেশ্য।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন