ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ০১:১০ পিএম
পতিত আওয়ামী লীগ সরকার আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অবৈধ সিদ্ধান্তগুলোকে বৈধতা দিত বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি অভিযোগ করেন, সেই সময় গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যা বলতেন, টিভি স্ক্রলগুলোতেও সেটাই যেত।
মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘প্রথম শহীদ’ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর জবানবন্দি পেশ করেন।
তিনি এই মামলার ২২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য প্রদান করছেন। তাঁর এই বক্তব্য সাবেক সরকারের আমলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সে সময় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো, বিশেষ করে আদালত এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সরকারের ইচ্ছানুযায়ী কাজ করতে বাধ্য হতো।জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে হাসনাত আবদুল্লাহ এই মামলার সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন।
তিনি যে মামলার সাক্ষ্য দিচ্ছেন, সেই আবু সাঈদ হত্যা মামলায় গত ৬ আগস্ট ট্রাইব্যুনাল মোট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ দেন। এই মামলার প্রধান আসামি হিসেবে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১৩ জন। এই রাজনৈতিক পটভূমিতে একজন সক্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সাক্ষ্য প্রদান আইন-আদালত অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন