অক্টোবর ২৭, ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম
শারীরিক মেদ ঝরিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রতিদিন জাপানি বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা সম্ভব। এই কৌশলে মূলত হাঁটার গতি ও সময়সীমার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়। জাপানে শরীরচর্চার ক্ষেত্রে ‘ইন্টারভ্যাল ওয়াকিং ট্রেনিং’ নামের এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
জাপানি ৩-৩-৩ হাঁটার কৌশলে একটানা একই গতিতে না হেঁটে কিছুক্ষণ স্বাভাবিক গতিতে চলার পর দ্রুত গতিতে হাঁটতে হয় এবং পরবর্তীতে পুনরায় গতি কমিয়ে শরীরকে বিশ্রাম দিতে হয়। এতে করে মানবদেহে শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা পর্যায়ক্রমে বাড়ে ও কমে, যা মেটাবলিজম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে।
দৈনিক মাত্র ১৮ মিনিটের একটি সহজ রুটিনকে তিন মিনিট করে কয়েকটি নির্দিষ্ট ধাপে ভাগ করে নেওয়া যায়।
প্রথম তিন মিনিট: এই ধাপে সাধারণ ও আরামদায়ক গতিতে হাঁটা শুরু করতে হবে। এ সময় শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রেখে শরীরকে হাঁটার পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া জরুরি।
পরবর্তী তিন মিনিট: দ্বিতীয় ধাপে হাঁটার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে হবে। এমন গতিতে পা চালাতে হবে যাতে হৃদস্পন্দন ও শ্বাসের গতি কিছুটা বৃদ্ধি পায়, তবে কথা বলতে যেন কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা না হয়। এই ধাপে একেবারে দৌড়ানোর মতো অতিদ্রুত গতি তোলার প্রয়োজন নেই।
শেষ তিন মিনিট: তৃতীয় ধাপে পুনরায় হাঁটার গতি ধীর করে নিতে হবে। এর ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে এবং শরীর প্রয়োজনীয় বিশ্রাম পায়।
এই তিনটি ধারাবাহিক পর্ব পরপর দুবার সম্পন্ন করলেই মোট ১৮ মিনিটের একটি পূর্ণাঙ্গ সেশন শেষ হয়।
শারীরিক সক্ষমতা ও সহনশীলতার ওপর ভিত্তি করেই প্রত্যেকের হাঁটার গতি নির্ধারণ করা উচিত। যারা শরীরচর্চায় একদম নতুন, তাদের ক্ষেত্রে শুরুতেই অতিরিক্ত চাপ না নিয়ে ধীরে ধীরে সময় ও হাঁটার গতি বাড়ানোই সবচেয়ে উপযোগী।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন