বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২৬,

হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ফের শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ২, ২০২৬, ০৫:১১ পিএম

হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ফের শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চ

ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে ফের উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানীর শাহবাগ এলাকা। শুক্রবার জুমার নামাজের পর সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

মিছিলটি ক্যাম্পাস ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেয়। বিক্ষোভকারীদের অবস্থানের কারণে শাহবাগের এক পাশের সড়কে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় যার ফলে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

তবে জরুরি প্রয়োজনে পাশের সংযোগ সড়কগুলো দিয়ে সীমিত পরিসরে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি চলছিল।শাহবাগের এই গণবিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ‘তুমি কে, আমি কে, হাদি-হাদি’, ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’ এবং ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা-ঢাকা’—এমন সব তেজোদীপ্ত স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে তোলেন। কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের উপস্থিত থেকে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তার বক্তব্যে শরিফ ওসমান হাদির হত্যার নেপথ্যে থাকা কুশীলবদের শনাক্ত করে দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।

এর আগে দুপুরে সংগঠনটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে শাহবাগের এই সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছিল। নেতাকর্মীদের দাবি অবিলম্বে পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করতে হবে।উল্লেখ্য যে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় সক্রিয় থাকাকালীন গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনে গুলিবিদ্ধ হন শরীফ ওসমান হাদি।

মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তার মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে সেখানে ১৮ ডিসেম্বর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই হত্যাকাণ্ডকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দাবি করে আসছে ইনকিলাব মঞ্চ। ইতোমধ্যে মামলার তদন্তে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য বেরিয়ে আসছে এবং এক আসামির কাছ থেকে ১৭টি সক্রিয় সিম কার্ড উদ্ধারের ঘটনা তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।