ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
নবগঠিত মন্ত্রিসভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। মঙ্গলবার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পরপরই তাকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এর আগে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন তিনি।
ওই আসনের ১১০টি ভোটকেন্দ্রে ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে প্রায় ৬৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।ড. মিলন বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।
এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অত্যন্ত সফলভাবে পালন করেছিলেন। তার বর্ণাঢ্য শিক্ষা ও কর্মজীবন মূলত শিক্ষা খাতের সংস্কারের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৫৭ সালে চাঁদপুরের কচুয়ায় জন্মগ্রহণ করা এই রাজনীতিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।
তিনি নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে এমবিএ এবং পরবর্তীতে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন নকল মুক্ত পরীক্ষা পদ্ধতি প্রবর্তন এবং শিক্ষা খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে তার বিশেষ ভূমিকা ছিল। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ায় জনমনে বিশেষ প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে তিনি নতুন কোনো পদক্ষেপ নেবেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ড. মিলন এর আগে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালেও সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে তার বিশেষ অভিজ্ঞতা নতুন দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন