রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬,

আরও ৬ জেলায় চালু হলো ‘ফুয়েল পাস’

জাতীয় ডেস্ক

এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১২:২০ পিএম

আরও ৬ জেলায় চালু হলো ‘ফুয়েল পাস’

ফুয়েল পাস অ্যাপের ব্যবহার

দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগে চালু হওয়া ‘ফুয়েল পাস’ মোবাইল অ্যাপের কার্যক্রম আরও প্রসারিত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে রাজধানী ঢাকার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে এই অ্যাপের ব্যবহার শুরু হলেও আজ শনিবার থেকে আরও ছয়টি জেলায় এর পাইলটিং কার্যক্রমের বিস্তৃতি ঘটানো হয়েছে। 

মূলত মোটরসাইকেল চালকদের জ্বালানি সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনতেই এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

শনিবার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, শুরুতে রাজধানীর মাত্র সাতটি ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল পাসের ব্যবহার শুরু হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে ঢাকার ১৮টি পেট্রল পাম্পে এই পাইলটিং কার্যক্রমের আওতা বাড়ানো হয়েছে। 

এর পাশাপাশি ঢাকার বাইরেও নিবন্ধিত মোটরসাইকেল চালকদের জন্য এই সুযোগ উন্মুক্ত করা হয়েছে যাতে করে একটি ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরি করা সম্ভব হয়।মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফুয়েল পাস অ্যাপের পাইলটিং কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত জেলাগুলোর তালিকায় এখন ঢাকা জেলা ও ঢাকা মেট্রোর পাশাপাশি নতুন করে যুক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম মেট্রো, চাঁদপুর, বরিশাল ও বরিশাল মেট্রো, খুলনা ও খুলনা মেট্রো, রাজশাহী ও রাজশাহী মেট্রো এবং ময়মনসিংহ জেলা। 

এই উল্লেখিত জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় নিবন্ধিত মোটরসাইকেলগুলো এখন থেকে সরাসরি ‘ফুয়েল পাস বিডি’ সিস্টেমের আওতায় নিবন্ধনের সুযোগ পাবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে দেশের বাকি জেলাগুলোতেও এই ডিজিটাল কার্যক্রম উন্মুক্ত করা হবে।ফুয়েল পাসের আবেদন প্রক্রিয়াটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ সহজ রাখা হয়েছে। আগ্রহী মোটরসাইকেল চালকদের প্রথমে গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘Fuel Pass’ নামের অ্যাপটি তাদের স্মার্টফোনে ইনস্টল করে নিতে হবে। 

এরপর অ্যাপে প্রবেশ করে সচল ফোন নম্বর দিয়ে তা ভেরিফাই করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। পরবর্তী ধাপে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য প্রদান করে একটি পাসওয়ার্ড সেট করার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। এই নিবন্ধনের ফলে জ্বালানি সংগ্রহের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় অধিকতর স্বচ্ছতা আসবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়।