জুলাই ১৫, ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম
বাংলাদেশে চরমপন্থা ও উগ্রবাদের কোনো ঠাঁই হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি উগ্রবাদ ও চরমপন্থা রুখতে বিরোধী দলেরও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে ধনী-গরিব কোনো বৈষম্য থাকবে না।
তারেক রহমান বলেন, সরকার বাংলাদেশকে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বের করে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। এজন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি সম্পদ তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যখাত প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের আমলে একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার জন্য দেশের স্বাস্থ্যখাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি খাতের বিশৃঙ্খলা দূর করতে ধাপে ধাপে কাজ শুরু করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় থাকা বিভিন্ন কার্ডকে সমন্বয় করে একটি ইউনিভার্সেল কার্ডের আওতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে মতপার্থক্য থাকতে পারে। তবে দেশের প্রান্তিক মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের প্রশ্নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি এবং বিদেশি তাবেদারি রুখতে রাষ্ট্র ও জনগণকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে হবে।তিনি বলেন, রাষ্ট্র শক্তিশালীকরণের প্রথম ধাপই হলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক বৈষম্যের হাত থেকে রক্ষা করা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন