আগস্ট ২৬, ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম
দেশের কোটিপতি সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন বেতন কাঠামো বা নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই গেজেট প্রকাশ করার বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং বিভিন্ন ভাতাদি পর্যালোচনার মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নের এই উদ্যোগ দেশের সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের যাবতীয় প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে চূড়ান্ত পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে এবং আগামী সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এটি জারির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু এগোলে আগামী অক্টোবর মাস থেকেই সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাওয়ার সুযোগ লাভ করতে পারেন।
তবে নতুন এই পে-স্কেলের কার্যকারিতা চলতি বছরের পহেলা জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য করা হবে, যার ফলে পরবর্তীতে বকেয়া অর্থ যথাযথভাবে সমন্বয় করা হবে। বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ধরনের ভাতা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধান এবং রাষ্ট্রীয় আর্থিক সক্ষমতার বিষয়গুলো গভীরভাবে বিবেচনা করে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।
জাতীয় বেতন কমিশনের পক্ষ থেকে পূর্বে ২০টি গ্রেডের আওতায় সর্বনিম্ন মূল বেতন কুড়ি হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ এক লাখ ষাট হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটি সেই সুপারিশগুলো আরও পর্যালোচনা করে কিছুটা সংযোজন-বিয়োজন করেছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন যে সংশ্লিষ্ট কমিটির কাজ শেষ হওয়ার পরপরই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে এবং চলতি বছরের মধ্যেই নতুন এই বেতন কাঠামো পুরোপুরি কার্যকর করা হবে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন