অক্টোবর ২৪, ২০২৬, ১০:১৯ এএম
রাজধানীর মেট্রোরেলের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রতিটি স্টেশনে আধুনিক স্ক্যানার ও মেটাল ডিটেক্টর বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ব্যাগে বহন করা যেকোনো সন্দেহজনক মালামাল দ্রুত শনাক্ত করতে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এই পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এমআরটি লাইন-ছয়ের আওতাধীন সব স্টেশনে আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টর এবং লাগেজ স্ক্যানার স্থাপন করা হবে।
ডিএমটিসিএলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও বিভিন্ন সামগ্রী নিখুঁতভাবে তল্লাশি করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই এসব অত্যাধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম যুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে স্টেশনের প্রবেশমুখে যাত্রীদের নিরাপত্তা তল্লাশি ব্যবস্থা আরও বেশি সুসংহত হবে।
এসব আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংগ্রহের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। এ লক্ষ্যে জাতীয় ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) পোর্টালের মাধ্যমে একটি অনলাইন ই-দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর ডিএমটিসিএলের স্টোর অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণকারী আগ্রহী ও যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো ই-জিপি পোর্টালের মাধ্যমে দরপত্রে অংশ নিতে পারবে। দরপত্রের বিস্তারিত শর্ত, আবশ্যকীয় নথিপত্র এবং অন্যান্য কারিগরি তথ্য ই-জিপি প্ল্যাটফর্ম ও কর্তৃপক্ষের হেল্পডেস্কে পাওয়া যাবে।
নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংগ্রহের পাশাপাশি একই বিজ্ঞপ্তিতে এমআরটি লাইন-ছয়ের ডিপোর বিদ্যুৎ ব্যবস্থার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এর আওতায় ডিপোতে চালু থাকা লো-ভোল্টেজ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, ডিজেল জেনারেটর সেট, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা (ইউপিএস), বায়ু চলাচল ব্যবস্থা এবং সাধারণ বৈদ্যুতিক কার্যক্রমের জন্য বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি (এএমসি) করা হবে। ডিপোর বিদ্যুৎ-সহায়ক ব্যবস্থাপনা সার্বক্ষণিক সচল রাখা এবং মেট্রোরেল চলাচল নির্বিঘ্ন রাখাই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।
প্রকাশিত দরপত্র বিজ্ঞপ্তির সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১১ নভেম্বর দুপুর দুইটা থেকে বিকেল তিনটার মধ্যে দরপত্রের প্রাথমিক প্রয়োজনীয় নথি ক্রয়ের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন