রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

সুষ্ঠু নির্বাচনে বডি ক্যামেরা ক্রয়ের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ০৭:২৩ পিএম

সুষ্ঠু নির্বাচনে বডি ক্যামেরা ক্রয়ের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য দ্রুততার সঙ্গে পর্যাপ্ত সংখ্যক বডি-ওর্ন ক্যামেরা (Body-Worn Camera) ক্রয়ের নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ সংক্রান্ত এক বৈঠকে তিনি এই জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেন।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে। ভোটারদের মধ্যে এমন আস্থা তৈরি করতে হবে, যাতে তারা অনুভব করেন যে নির্বাচনের জন্য একটি অনুকূল ও নিরাপদ পরিবেশ বিদ্যমান।’

তিনি নির্বাচনকালীন সময়ের যেকোনো সহিংসতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই বডি-ওর্ন ক্যামেরা ক্রয় প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য কঠোর নির্দেশ দেন। প্রফেসর ইউনূস আরও বলেন, ‘নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এমন একটি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যেখানে পরিস্থিতি অবনতির কোনো সুযোগ কেউ না পায়।’

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, দেশে বর্তমানে যে পরিমাণ বডি-ওর্ন ক্যামেরা মজুত রয়েছে, সেগুলো ব্যবহার করেই পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘নতুন ক্যামেরাগুলো এসে পৌঁছালে প্রতিটি জেলায় পুলিশ সদস্যদের যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

’ তিনি আরও জানান, বডি-ওর্ন ক্যামেরার সাহায্যে নির্বাচনের সময় ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি যেমন কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং করা যাবে, তেমনি প্রতিটি থানা এবং জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকেও সরাসরি তা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে, যা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে।