সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

হিন্দুস্তান বাংলাদেশের ফুলকেও ভয় পায়: রাশেদ প্রধান

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৩:৫১ পিএম

হিন্দুস্তান বাংলাদেশের ফুলকেও ভয় পায়: রাশেদ প্রধান

ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসনের প্রতিবাদে অভিনব এক প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান। রোববার ২১ ডিসেম্বর সকালে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসে ঘৃণা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে তিনি একা একটি কালো গোলাপ নিয়ে পদযাত্রা শুরু করেন।

তবে দূতাবাসের কাছাকাছি পৌঁছানোর আগেই বাড্ডা লিঙ্ক রোড এলাকায় পুলিশ তাকে আটকে দেয়। পুলিশের বাধার মুখে রাশেদ প্রধান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে হিন্দুস্তান এখন বাংলাদেশের ফুলকেও ভয় পেতে শুরু করেছে।

তিনি দাবি করেন যে তার এই কালো গোলাপ ছিল ভারতীয় কর্তৃত্ব প্রতিরোধের একটি রাজনৈতিক প্রতীক কিন্তু পুলিশ তাকে সেই নূন্যতম গণতান্ত্রিক অধিকারটুকু পালন করতে দেয়নি।

রাশেদ প্রধান তার বক্তব্যে গতরাতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে উগ্রপন্থীদের হামলার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি অভিযোগ করেন যে দিল্লিতে যখন বাংলাদেশের দূতাবাসে হামলা চালানো হয়েছে তখন ভারতীয় পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে হেসেছে। অথচ বাংলাদেশে একটি সুশীল অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে পুলিশ একজন নিরস্ত্র ব্যক্তিকে দূতাবাসে ঘৃণা প্রদর্শন ও ফুল দিতে বাধা দিচ্ছে। তিনি বর্তমান সরকারের এই অবস্থানকে নতজানু পররাষ্ট্র নীতি হিসেবে অভিহিত করেন।

এবং ভারতকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে আধিপত্যবাদের কবর রচনা করতে হলে ভারতের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে হবে। তিনি অবিলম্বে গণহত্যাকারী হাসিনা ও হাদি হত্যার মূল হোতাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানান।জাগপার এই মুখপাত্র আজ সকাল ১০টায় রাজধানীর পল্টন বক্স কালভার্ট রোড এলাকা থেকে একা পায়ে হেঁটে গুলশানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিলেন। ৬ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দেওয়ার সময় পথে অসংখ্য সাধারণ মানুষ তার এই একক প্রতিবাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

রাশেদ প্রধান ভারত সরকারের উদ্দেশ্যে আরও বলেন যে সীমান্তে হত্যা, অবৈধ পুশ-ইন এবং বাংলাদেশের ভূমি দখল অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিও জানান তিনি। তিনি বলেন যে ভারতের উচিত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করা নতুবা এ দেশের মানুষ তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।