ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ০৩:৪৭ পিএম
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে এই জানাজা শেষ হয়। এতে স্মরণকালের রেকর্ডসংখ্যক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।ঐতিহাসিক এই জানাজায় অংশ নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং বন্ধুপ্রতিম বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা জানাজায় শরিক হন।
জানাজা দুপুর ২টায় শুরুর কথা থাকলেও ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো মানুষের স্রোতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। জানাজার সময় মানুষের সারি সংসদ ভবন এলাকা ছাড়িয়ে বিজয় সরণি, খামারবাড়ি মোড়, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, পান্থপথ, শেরেবাংলা নগর, কলেজগেট, আসাদগেট ও শাহবাগ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। ভবনের ছাদ ও ওভারব্রিজসহ তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না কোথাও। নিকট অতীতে দেশবাসী এত বড় জানাজা দেখেনি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জানাজা শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হবে। দাফনকাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য জিয়া উদ্যানে জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। সেখানে কেবল পরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, বিদেশি অতিথি এবং নির্ধারিত রাজনীতিবিদরাই প্রবেশের অনুমতি পাবেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন