মার্চ ২৬, ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
পঞ্চগড়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পঞ্চগড় জেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে জেলা জজ কোর্ট এলাকা থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়।
র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরঙ্গী মোড়ে এসে শেষ হয় এবং সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পঞ্চগড় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসাইন।
এ সময় জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন এবং মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি শহীদুল ইসলামসহ স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে মহান স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা নিয়ে আলোচনা করেন।
তারা বলেন, ব্রিটিশ শাসনের শৃঙ্খল ভেঙে ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ থেকে মুক্তি পেয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে।নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বিগত সরকারগুলোর সমালোচনা করে বলেন, স্বাধীনতার চেতনা কোনো একক দলের সম্পদ নয় এবং এটি রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা অনুচিত।
তারা দাবি করেন, গত ১৭ বছর একটি নির্দিষ্ট দল স্বাধীনতার চেতনাকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছে এবং বর্তমানে তারা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বক্তাদের মতে, স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ দলপ্রীতি, স্বজনপ্রীতি বা বৈষম্য নয় এবং এটি কোনো স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার নাম হতে পারে না। বরং মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করাই হলো স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য।
র্যালি ও সমাবেশে পঞ্চগড় জেলা জামায়াত ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই হবে স্বাধীনতার সার্থকতা। সমাবেশ শেষে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন