রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

বৈষম্যহীন দেশ গড়তে সম্প্রীতির ডাক দিলেন নাহিদ ইসলাম

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ২, ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম

বৈষম্যহীন দেশ গড়তে সম্প্রীতির ডাক দিলেন নাহিদ ইসলাম

নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। আমরা যে যে ধর্মের হই না কেন, সবাই মিলে একসাথে এই বাংলাদেশকে গড়ব। শুক্রবার (১ মে) বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে রাজধানীর বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম জানান, একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা। বাংলাদেশের সকল নাগরিকেরই এটি প্রত্যাশা যে মত-ভিন্নমত সবকিছু নিয়ে সবাই একসাথে চলবে। বৌদ্ধ ধর্ম সবসময়ই এই অঞ্চলে শিক্ষা ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

এই ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে বর্তমান প্রজন্মের ধারণ করতে হবে বলে তিনি মনে করেন।বৌদ্ধ বিহারের গুরুত্ব তুলে ধরে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, বৌদ্ধ বিহার ধর্মীয় বা প্রার্থনা কেন্দ্র হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

এই ধরনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা বর্তমান সময়েও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলে তিনি মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিকভাবে চলমান যুদ্ধপরিস্থিতি ও ঘৃণার ঊর্ধ্বে উঠে অহিংসা এবং শান্তির বাণী প্রচারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নাহিদ ইসলাম আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানান। 

বিশেষ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে তিনি অনুরোধ করেন যেন এই বিহারকে আরও সমৃদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হয়। নাহিদ ইসলাম বিশ্বাস করেন, গৌতম বুদ্ধের অহিংসার শিক্ষা বিশ্ব নেতৃত্ব অনুসরণ করলে শান্তি ফিরে আসবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থী উপস্থিত ছিলেন।