রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে: মামুনুল হক

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ৫, ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে: মামুনুল হক

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মের ঘটনাকে ভয়াল ও বেদনাবিধুর আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেছেন, বিচার না হওয়া পর্যন্ত ন্যায়বিচারের এই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।মঙ্গলবার (৫ মে) বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস শাপলার শহীদচিত্র: অদেখা সত্যের ফ্রেম শীর্ষক একটি ব্যতিক্রমধর্মী চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। 

রাজধানীর শাহবাগ জাদুঘরের নলিনীকান্ত অডিটোরিয়ামে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মাওলানা মামুনুল হক। শাপলা চত্বরে নিহতদের স্মরণ, ইতিহাসের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই মূলত এই আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে মামুনুল হক বলেন, আগামীর রাজনীতি শাপলার চেতনাকে ধারণ করেই গড়ে উঠবে। ২০১৩ সালে যারা শাহাদাতবরণ করেছেন তারা এ বাংলার সূর্যসন্তান। তাদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মকে সত্য ও ন্যায়ের পথে উদ্বুদ্ধ করবে। 

ইতিহাসের বিভিন্ন দিক নিয়ে সত্য অনুসন্ধান করা এবং তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়া এখন সময়ের দাবি।ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি। প্রদর্শনী ঘুরে দেখার পর তিনি জানান, শাপলার ঘটনাকে ঘিরে যে আলোচনা ও গবেষণা হচ্ছে তা সত্য উদঘাটনের জন্য ভীষণ জরুরি। সত্য সামনে আসুক এবং বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক এটাই সবার চাওয়া।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন লেখক ও গবেষক মঞ্জুর আহমেদ, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, শাপলা স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কামাল উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তাফাজ্জুল হক মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমেদ ও আবুল হাসনাত জালালী এবং বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামানসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও নাগরিকরা।

প্রদর্শনীতে বিভিন্ন আলোকচিত্র, তথ্যচিত্র, ডকুমেন্টেড উপস্থাপনা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার মাধ্যমে ৫ মের ঘটনার নানা দিক তুলে ধরা হয়। দর্শনার্থীদের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকদের মতে, এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য হলো ইতিহাসের আলোচনাকে আরও গবেষণাভিত্তিক ও প্রমাণনির্ভর করা। ভবিষ্যতে এমন উদ্যোগ আরও বড় পরিসরে আয়োজনের কথা জানিয়েছেন তারা।