রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ১২, ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। শুক্রবার (১২ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিশেষ বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এই আহ্বান জানান। নবজাতকদের অনাকাঙ্ক্ষিত এই মৃত্যুকে অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করা হয় ওই বিবৃতিতে।এর আগে গত ১১ জুন পুরো হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করে দলটি। কোনোভাবেই দায়ীদের দায়মুক্তির সুযোগ দেওয়া উচিত নয় বলেও মহাসচিব তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন। তবে তদন্ত ও জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায় পুরো হাসপাতাল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। আদ-দ্বীন হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সাশ্রয়ী ও স্বল্প ব্যয়ে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছে।

হঠাৎ করে এই চিকিৎসাকেন্দ্রটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ায় শত শত ভর্তি রোগী ও প্রতিদিনের বিপুলসংখ্যক সাধারণ সেবাগ্রহীতা মারাত্মক ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। বাংলাদেশের health খাতে অবহেলা, ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা ও চিকিৎসাগত ত্রুটিজনিত ঘটনা অতীতেও বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ঘটেছে। কিন্তু প্রতিটি অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য পুরো প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। বরং দায়ী ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহিতার আওতায় এনে ত্রুটি সংশোধন এবং সেবার মান নিশ্চিত করাই অধিকতর কার্যকর পন্থা।

স্বাস্থ্যখাতে নিরাপত্তা, জবাবদিহিতা ও মাননিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখে কঠোর তদারকির মাধ্যমে হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবা চালু রাখার সুযোগ দেওয়া উচিত। প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ণ না করার জন্য অবিলম্বে হাসপাতালটির চিকিৎসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।