জুলাই ১৫, ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের দ্বিতীয় সাধারণ অধিবেশন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহর সঞ্চালনায় দিনব্যাপী এই অধিবেশন সম্পন্ন হয়।অধিবেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন জুলাই অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট রাজধানীর বাড্ডা থানার সামনে পুলিশের গুলিতে শহীদ মো. রায়হান হোসেনের বাবা মো. মোজাম্মেল হক। উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয়।
অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও মাওলানা আব্দুল হালিম। এছাড়া ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, নূরুল ইসলাম বুলবুল, মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ সাবেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অধিবেশনে কেন্দ্রের ষাণ্মাসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা, জেলা সংগঠনের সেটআপ অনুমোদন, ক্যাম্পাস পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং দেশের রাজনৈতিক ও সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আগামী দিনের করণীয় নির্ধারণসহ সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।এ সময় কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ২০২৬ সেশনের কার্যকরী পরিষদের উপনির্বাচনে নির্বাচিত ১২ জনের নাম ঘোষণা করেন এবং এক সদস্যকে মনোনয়ন প্রদান করেন। পরে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানো হয়।
সমাপনী অধিবেশনে কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ, আহত এবং জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণেই আমরা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখার সুযোগ পেয়েছি। এই চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, ইনসাফভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ছাত্রসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।পরিশেষে বিদায়ী কার্যকরী পরিষদ সদস্যদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সভাপতির সমাপনী বক্তব্য এবং দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অধিবেশন সমাপ্ত হয়।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন