রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

হবিগঞ্জের পথে এনসিপি নেতাদের বাধা, ধস্তাধস্তি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুলাই ২৯, ২০২৬, ০৬:০০ পিএম

হবিগঞ্জের পথে এনসিপি নেতাদের বাধা, ধস্তাধস্তি

ছবি: দিনাজপুর টিভি

হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় পুলিশি বাধার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই বুধবার বিকেলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।এর আগে বিকেলে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ থেকে এনসিপি নেতাদের বহনকারী গাড়ির বহর হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের পথিমধ্যে আটকে দেয়। বহরে প্রায় দশটি মাইক্রোবাস ছিল বলে জানা গেছে।

আটকে পড়ার পর গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন এনসিপি নেতারা। এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এবং যুগ্ম সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য মাহমুদা মিতু উপস্থিত ছিলেন। ১৪৪ ধারা জারি থাকায় পুলিশ তাদের হবিগঞ্জে প্রবেশ করতে নিষেধ করে। অন্যদিকে এনসিপি নেতারা পুলিশি বাধা প্রত্যাহার করে এগিয়ে যাওয়ার দাবি জানান। দুই পক্ষের মধ্যে এই নিয়ে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে এনসিপির নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় সারজিস আলমসহ বেশ কয়েকজন আহত হন এবং নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় নেতারা একটি ব্যাংকে আশ্রয় নেন। পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের উদ্ধার করে মৌলভীবাজারে নিয়ে আসে। এই ঘটনার পর হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে।

উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে এনসিপি পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনের চেষ্টা চালালেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন ও পুলিশ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। উভয় পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।