মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬,

ওষুধের নীতিমালা বাতিল করে সরকার জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

আগস্ট ২০, ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম

ওষুধের নীতিমালা বাতিল করে সরকার জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে

ছবি : সংগৃহীত

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণের নীতিমালা বাতিল করে সরকার সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। বিজয়নগরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার ফলে সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের স্বার্থ চরমভাবে উপেক্ষিত হয়েছে এবং ওষুধ ব্যবসায়ীদের স্বার্থকে এক প্রকার অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

ওষুধ মানুষের জীবন রক্ষার উপকরণ।আসাদুজ্জামান ফুয়াদ আরও বলেন, দেশের ওষুধশিল্প আজ একটি বড় অর্থনৈতিক খাত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও সাধারণ মানুষকে ওষুধ কিনতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে একটি কার্যকর নীতিমালা থাকা অত্যন্ত জরুরি। 

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ১৯৯৪ সালের পরিপত্রে ১১৭টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সেই তালিকা ২৯৭টিতে উন্নীত করে এবং নতুন মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি প্রণয়ন করে। কিন্তু বর্তমান সরকার গত ৩ আগস্ট সেই নীতিমালা বাতিল করে পুরোনো কাঠামোতে ফিরে গেছে।

চিকিৎসকদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ওষুধ কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে উপহার ও প্রণোদনা দেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করার জোরালো দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে ওষুধ খাত সংস্কারের জন্য সাত দফা প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাতিল করা নীতিমালা পুনর্বহাল করা, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ওষুধ রাখতে মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করা, এবং অযৌক্তিক ব্র্যান্ড বৈচিত্র্য কমানো।

ওষুধশিল্পের মালিকপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যবসায়িক স্বার্থ থাকবে, তবে মানুষের জীবন ও জনস্বার্থকে সবসময় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে দলটির অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।