রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জোট হলে রুমিন নয়, নমিনেশন পাবেন জুনায়েদ আল হাবীব

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ১০, ২০২৫, ০২:৫২ পিএম

জোট হলে রুমিন নয়, নমিনেশন পাবেন জুনায়েদ আল হাবীব

ছবি - সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে বিএনপিতে তৈরি হয়েছে জটিল সমীকরণ। দলের আলোচিত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এই আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও, স্থানীয় বিএনপি নেতাদের একটি বড় অংশ তার বিরোধিতা করছে।

এমন পরিস্থিতিতে, বিএনপির সঙ্গে ইসলামপন্থী দলগুলোর জোট হলে এই আসনটি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীবকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে বলে জোরালো গুঞ্জন উঠেছে।মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, যিনি হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবেও পরিচিত, সম্প্রতি সরাইলের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে এই আসনে জোটের প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, “১৯৮১ সালে হাফেজ্জী হুজুরের নির্বাচন থেকে শুরু করে মুফতি আমিনী (রহ.)-এর প্রত্যেকটি নির্বাচনে আমি সফরসঙ্গী ছিলাম। এই এলাকার মানুষ আমাকে চেনে, আমি প্রত্যেক গ্রামেই গিয়েছি।”তিনি আরও বলেন, “২০২১ সালের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়েই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। তাই দেশ পুনর্গঠনে আমরাও অংশ নিতে চাই।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সমীকরণের পেছনে শক্তিশালী ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি রয়েছে। ২০০۱ সালের নির্বাচনে এই আসন থেকেই বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন ইসলামী ঐক্যজোটের তৎকালীন চেয়ারম্যান, বরেণ্য আলেম মুফতি ফজলুল হক আমিনী। সেই ধারাবাহিকতায়, এবংকে নিয়ে স্থানীয় বিএনপিতে বিভক্তির কারণে, জোট হলে জুনায়েদ আল হাবীবের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।

অন্যদিকে, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এই আসনের ভোটার না হওয়ায় ‘বহিরাগত’ ইস্যুতে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের একাংশ তার বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন। সব মিলিয়ে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের মনোনয়ন নিয়ে বিএনপি এবং তাদের সম্ভাব্য জোটের মধ্যে আলোচনা এখন তুঙ্গে।