জুন ৪, ২০২৬, ১১:৩১ পিএম
দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী সফর শেষে প্রত্যেককে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে অনন্তকালের আবাসস্থলে প্রবেশ করতে হবে। চিরসত্য এই মৃত্যুকে ঘিরে মানুষের চিন্তার অন্ত নেই। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, মৃত্যু তোমাদের পেয়ে বসবেই, যদিও তোমরা সুউচ্চ ও সুদৃঢ় দুর্গের মধ্যে অবস্থান করো।মৃত্যুর পর আখিরাতের প্রথম ধাপ হলো কবর।
এই কবরে দুই ফেরেশতা মুনকার ও নাকিরের প্রশ্নের জবাবের ওপর নির্ভর করে মুমিন ও নেককার বান্দারা আযাব থেকে মুক্ত থাকবেন। গুনাহের ভাগীদারদের জন্য আযাব নির্ধারিত হওয়ার কথা হাদিসে এসেছে। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে উল্লেখ আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাজ্জালের ফিতনা ও কবরের আযাব থেকে সব সময় আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।
কবরের আযাব থেকে মুক্তি পেতে হাদিসে বিশেষ আমলের কথা বলা হয়েছে।ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, এক সাহাবী ভুলবশত একটি কবরের ওপর তাঁবু স্থাপন করেন। তিনি সেখানে সুরা মুলক তিলাওয়াত হওয়ার আওয়াজ শুনতে পান।
ঘটনাটি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানালে তিনি বলেন, সুরা মুলক হলো প্রতিরোধক এবং মুক্তিদায়ক। এটি কবরের আযাব থেকে বান্দাকে মুক্তি দেয়।সুরা মুলকের আমল পরকালে অত্যন্ত ফলপ্রসূ।
আবু হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত আরেকটি হাদিস অনুযায়ী, ৩০ আয়াত বিশিষ্ট এই সুরাটি যে ব্যক্তি নিয়মিত পাঠ করবে, এটি তার জন্য সুপারিশ করবে এবং তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। নিয়মিত এই সুরা পাঠের মাধ্যমে পরকালের কঠিন মুহূর্তে প্রশান্তি পাওয়া সম্ভব। মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন