আগস্ট ২১, ২০২৬, ১২:১০ পিএম
জুমার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠতম দিন। ইসলামে এই দিনের গুরুত্ব অপরিসীম। মুমিন মুসলমানদের জন্য জুমার দিন অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ, কারণ এই দিনের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে অসংখ্য ফজিলত ও দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত। সপ্তাহের এই দিনে মুসলিম সমাজে বৃহত্তম ইবাদত ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মুসল্লিরা জামাতে নামাজ আদায় করেন।হাদিসের আলোকে জুমার দিনের ফজিলত ও করণীয় আমল অপরিসীম।
নবীজি (সা.) জুমার দিনের শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে বলেন, সমস্ত দিনের নেতা হলো জুমার দিন। জুমার দিন আল্লাহ তাআলার নিকট সবচেয়ে মহান দিবস। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মুমিনদের এই দিনে নামাজের জন্য ডাকা হলে দ্রুত মসজিদে ধাবিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জুমার নামাজ ছাড়াও এই দিনে বেশ কিছু নফল আমল ও সুন্নত পালনের সুযোগ রয়েছে, যা একজন মুমিনের জন্য আধ্যাত্মিক প্রশান্তির উৎস।
জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করা। নামাজের আগে গোসল করে পরিচ্ছন্ন হওয়া সুন্নত। হাদিসে জুমার দিনের গোসল, মিসওয়াক ও সুগন্ধি ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তম পোশাক পরাও এই দিনের অন্যতম সুন্নত। নামাজের জন্য আগে মসজিদে পৌঁছানোর বিশেষ ফজিলত রয়েছে। ইমামের খুতবা চলাকালীন কথা বলা বা অন্য কোনো কাজে মনোযোগ হারানো উচিত নয়, বরং নীরবে খুতবা শোনা জরুরি।
সুরা কাহফ তিলাওয়াত করা জুমার দিনের একটি ফজিলতপূর্ণ আমল। হাদিসে বলা হয়েছে, জুমার দিনে সুরা কাহফ পাঠ করলে এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত নুর লাভের সৌভাগ্য হয়। এছাড়া মহানবী (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠ করাও অত্যন্ত পুণ্যময় কাজ। দিনের বিভিন্ন সময়ে দরুদ পাঠের অভ্যাস করা যেতে পারে। জুমার দিনে এমন একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে, যখন দোয়া কবুল হয়। আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়টিকে দোয়া কবুলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন