জুন ২২, ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
উত্তরের জেলা দিনাজপুরে ছড়িয়ে আছে ইতিহাস আর প্রকৃতির স্নিগ্ধ রূপ। বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ, হলদে সূর্যমুখী ফুলের বাগান আর প্রাচীন সব স্থাপত্যের টানে মানুষ ছুটে আসেন। ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এই জেলায় রয়েছে একাধিক দর্শনীয় স্থান।তবে পর্যটকদের সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে ঐতিহাসিক কান্তজীর মন্দির।
শত শত বছরের পুরোনো এই মন্দিরটি পোড়ামাটির অপূর্ব অলংকরণের জন্য সারা দেশে বিখ্যাত। দেয়ালের প্রতিটি ইটে নিখুঁতভাবে খোদাই করা আছে প্রাচীন নানা কাহিনি। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ এই স্থাপত্যের কারুকাজ দেখতে ভিড় জমান। মন্দিরের চারপাশের সবুজ ও শান্ত পরিবেশ দর্শনার্থীদের মনে প্রশান্তি এনে দেয়।
ইতিহাস আর ঐতিহ্যের খোঁজে জেলার আরও কিছু প্রাচীন জায়গা ঘুরে দেখা যায়। আভিজাত্যের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে দিনাজপুর রাজবাড়ীর বিশাল ধ্বংসস্তূপ। পাশাপাশি ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদের নির্মাণশৈলীও দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে।
প্রকৃতির খুব কাছাকাছি সময় কাটাতে চাইলে রামসাগরে যেতে পারেন। এটি দেশের অন্যতম বড় মানবসৃষ্ট দিঘি। চারপাশের ঘন বনভূমি পুরো পরিবেশকে ছায়াসুনিবিড় করে রাখে। দিঘির পাড়ে বনের ভেতরে চিত্রা হরিণের দল ও বানরের উপস্থিতি পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ দেয়।
একটু ভিন্ন ধরনের বিনোদনের জন্য রয়েছে স্বপ্নপুরী। বিশাল এই বিনোদনকেন্দ্রে কৃত্রিম হ্রদ, বাগান ও নানা ধরনের রাইড থাকায় সব বয়সী মানুষ এখানে এসে সময় কাটাতে পছন্দ করেন।রাজধানী ঢাকা থেকে সহজেই এই জেলায় যাতায়াত করা যায়। সড়কপথে একাধিক দূরপাল্লার বাস চলাচল করে নিয়মিত। এ ছাড়া ট্রেনের জানলা দিয়ে পথের দুপাশের সবুজ প্রান্তর দেখতে দেখতে গন্তব্যে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতাও দারুণ।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন