শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ বজ্রবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির কবলে যে ৪ বিভাগ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ১, ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ বজ্রবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির কবলে যে ৪ বিভাগ

ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস

মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা তিন দিন অস্থায়ী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে এই লঘুচাপটি অবস্থান করার ফলে আগামী কয়েকদিন আবহাওয়ার এই বৈরী পরিস্থিতি বিরাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার সকালে প্রকাশিত পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। 

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, লঘুচাপের প্রভাব উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বেশি অনুভূত হতে পারে।আবহাওয়ার প্রথম ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে অধিদপ্তর। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এই সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে, যা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এই দুই দিন দেশের অন্যত্র বড় ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম থাকলেও সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। শুক্রবার রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে শনিবার থেকে আবহাওয়ার ধরনে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

পূর্বাভাসের শেষ পর্যায়ে অর্থাৎ আগামী রোববার ঢাকা, খুলনা, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু স্থানে পুনরায় অস্থায়ী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সে সময়ে দেশের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। মূলত বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটির গতিবিধি ও মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে দেশের আবহাওয়া এমন অস্থির আচরণ করছে। কৃষিজীবী ও সাধারণ মানুষকে বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির সময়ে নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে জনজীবনে কিছুটা অস্বস্তিও দেখা দিতে পারে।