মে ২৫, ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
দিনাজপুরে কীটনাশক ও বিষাক্ত সার ছাড়া নিরাপদ উচ্চমূল্যের সবজি চাষ পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। জৈব সার ব্যবহার এবং ক্ষতিকর পোকা দমনে হলুদ আঠালো ফাঁদ ও নিমের রসের ব্যবহার বাড়ছে। এতে স্বল্প শ্রম ও কম খরচে দ্বিগুণ ফলন পেয়ে লাভবান হচ্ছেন সদর উপজেলার ৯নং আস্করপুর ইউনিয়নের কৃষকরা।
বিষমুক্ত সবজি পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন স্থানীয় ক্রেতারাও।উপজেলাটিতে সবজি চাষের এই নতুন পদ্ধতি প্রসারে সহায়তা করেছে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান মহিলা বহুমূখী শিক্ষা কেন্দ্র (এমবিএসকে) ও পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন।
কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, এই পদ্ধতিতে সার ও সেচের অপচয় কম হয় এবং ফসলে ছত্রাকের আক্রমণও হ্রাস পায়। করলা, পটল, চিচিঙ্গা ও বেগুনের মতো সবজি চাষে কৃষকরা এখন রাসায়নিক সারের পরিবর্তে কেঁচো সার ও জৈব সার ব্যবহার করছেন।
নিরাপদ সবজি উৎপাদনে কৃষকের খরচ কমেছে এক-তৃতীয়াংশ।এমবিএসকে কৃষি কর্মকর্তা হোসেন মো. আবু সুফিয়ান জানান, ২৫ শতক জমিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ করে একজন কৃষক ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করতে পারছেন।
ফেরোমন ফাঁদ ও আঠালো ফাঁদ ব্যবহার করায় ক্ষতিকর পোকা পুরুষ পোকা আকৃষ্ট হয়ে ফাঁদে পড়ে মারা যায়, এতে ফসল সুরক্ষিত থাকে। স্থানীয় কৃষক হাফিজুর রহমান ও আব্দুস সামাদসহ অনেকেই জানিয়েছেন, এই পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে সবজি আবাদ করে তারা বেশ সফল হয়েছেন।নতুন এই পদ্ধতিতে ফসল আবাদে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন আশপাশের কৃষকরা।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন