বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬,

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

মো: মামুনুর রশিদ

জুলাই ২, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

ছবি : দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রংপুর বিভাগের আটটি জেলায় ২১৩টি কেন্দ্রে একযোগে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পরীক্ষার্থীরা কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা ছাড়াই নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই স্ব-স্ব কেন্দ্রে উপস্থিত হতে শুরু করেন।

চলতি বছরের এই পাবলিক পরীক্ষায় এবার ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীদের অংশগ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।বোর্ডের অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী, এবার দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে থাকা ৬৬৫টি কলেজের মোট ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন পরীক্ষার্থী চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। মোট পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৫৪ হাজার ৪৩৬ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৫৯ হাজার ৪৩ জন, যা নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে এক বড় ইতিবাচক পরিবর্তনের সংকেত দেয়। 

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগে এবার ২৭ হাজার ৩০৯ জন, মানবিক বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৭৯ হাজার ১৩ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৭ হাজার ৪২৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। জেলাভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ২৪ হাজার ২৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন রংপুর জেলায় এবং সবচেয়ে কম ৭ হাজার ৫৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন সীমান্তবর্তী লালমনিরহাট জেলা থেকে।

পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর বাইরে সকাল থেকেই অভিভাবকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেলেও কেন্দ্রের ভেতরের সার্বিক পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ শান্ত, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও স্বাভাবিক। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস আহমেদ জানান, পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত এবং উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি আগেই সম্পন্ন করা হয়েছিল এবং বোর্ডের বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে প্রথম দিনের পরীক্ষায় কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। নতুন প্রজন্মের এই শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা দিয়ে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।