শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬,

বীরগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম

জাহিদ হাসান

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম

বীরগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম

ছবি: দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম এবং প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেছেন দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. মনজুরুল ইসলাম। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বীরগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মাকড়াই শালবন এলাকায় অবস্থিত বীরগঞ্জ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে তিনি এই পরিদর্শন কর্মসূচি পালন করেন। 

এ সময় তিনি শ্রেণিকক্ষের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে অংশ নেন। বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৮৬ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। পরিদর্শনকালে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও উপস্থিত অভিভাবকদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলে বিদ্যালয়ের সার্বিক অবস্থার খোঁজ নেন সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার দায়িত্ব কেবল পরিবারের একার নয়। 

এসব শিশু যাতে কোনো অবস্থাতেই নিজেদের পরিবারের বোঝা মনে না করে, সে জন্য সবার আগে দরকার আন্তরিক যত্ন, ভালোবাসা ও সামাজিক সুযোগ। বীরগঞ্জের প্রতিটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীকে সমাজের মূলধারায় প্রতিষ্ঠিত করতে তাদের মানসম্মত শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। বিদ্যালয়টির পরিবেশ সুরক্ষিত ও সবুজ রাখার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ শেষে এমপি মনজুরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য পাঠদানের স্থানটি নিরাপদ ও আনন্দময় হওয়া অত্যন্ত জরুরি। 

বর্তমানে ৯ জন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সার্বিক সহায়তায় সমাজের বিত্তবান ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আমিরুল বাহার, উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শাহাজাহান সিরাজ শিপন এবং পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাজু ইসলাম। এছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী, অভিভাবক ও স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ কর্মসূচিতে অংশ নেন।