শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬,

দেশের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য সুখবর দিয়েছে সরকার

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম

দেশের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য সুখবর দিয়েছে সরকার

দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য বিশেষ সুখবর দিয়েছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) জানিয়েছে, বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও বেগবান ও গতিশীল করতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অধিদফতরের বাজেট শাখা থেকে সম্প্রতি জারি করা এক আদেশের মাধ্যমে এই অর্থ ব্যয়ের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় মঞ্জুরি দেওয়া হয়।

 মূলত তৃণমূল পর্যায়ের সরকারি স্কুলগুলোর দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট দূর করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এই অতিরিক্ত বরাদ্দকৃত অর্থ বিভিন্ন প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহ, অবকাঠামো মেরামত, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয় এবং দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা পরিশোধের কাজে ব্যয় করা হবে। 

মাউশি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে যে, এই বরাদ্দের আওতায় বিদ্যালয়গুলো ২০২৪-২৫, ২০২৩-২৪ এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরের ঝুলে থাকা বকেয়া পাওনাদি পরিশোধ করতে পারবে। 

খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রশাসনিক ব্যয়, জ্বালানি খরচ যেমন পেট্রোল, অয়েল ও লুব্রিকেন্ট, ভ্রমণ ও বদলি ভাতা, মুদ্রণ ও মনিহারি সামগ্রী। এছাড়া সাধারণ সরবরাহ, কাঁচামাল এবং বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি কেনার ক্ষেত্রেও এই টাকা ব্যবহার করা যাবে।জারি করা আদেশে সদ্য সরকারি হওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারীরা মাউশির আগাম অনুমতি ছাড়া কোনো বকেয়া বেতন বা ভাতা উত্তোলন করতে পারবেন না। 

এছাড়া শ্রান্তিবিনোদন ছুটির ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম জানানো হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের অধীনস্থ কর্মচারীদের ছুটি মঞ্জুর করবেন। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিজেদের ছুটির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের অনুমোদন নিতে হবে।সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব ধরনের আর্থিক বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাউশি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এই অর্থ ব্যয়ে ভবিষ্যতে যদি কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যয় নির্বাহকারী কর্তৃপক্ষ কিংবা প্রতিষ্ঠান প্রধান ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন। 

এছাড়া আগামী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে বরাদ্দের কোনো অর্থ যদি অব্যয়িত বা উদ্বৃত্ত থাকে, তবে তা দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমা দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বরাদ্দের ফলে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন প্রাণসঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।