সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশেষ স্বীকৃতি পাচ্ছেন ববি শিক্ষার্থী সুজন

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ১২, ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম

প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশেষ স্বীকৃতি পাচ্ছেন ববি শিক্ষার্থী সুজন

কৃত্রিম হাত তৈরিতে অনন্য মেধার স্বীকৃতি পাচ্ছেন ববি শিক্ষার্থী সুজন চন্দ্র পাল। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এই কৃতি শিক্ষার্থীর উদ্ভাবনী প্রকল্পটির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে এই আনুষ্ঠানিক সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুজন চন্দ্র পাল সম্প্রতি একটি বিশেষ কৃত্রিম হাত এবং থান্ডারবোল্ট নামের একটি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির কার্যকর মডেল তৈরি করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন।

তাঁর এই ব্যতিক্রমী উদ্ভাবন ইতিমধ্যে শিক্ষার্থী ও দেশের গবেষণামুখী বিভিন্ন মহলে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে এক বিশেষ সাক্ষাত্কারের সময় এই স্বীকৃতির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মো মামুন অর রশিদ জানান যে খুব শিগগিরই ববি শিক্ষার্থী সুজন চন্দ্র পালকে এই বিশেষ মেধার জন্য আনুষ্ঠানিক সম্মাননা দেওয়া হবে। 

এর পাশাপাশি তাঁর গবেষণামূলক কাজকে ভবিষ্যতে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় একাডেমিক, প্রযুক্তিগত এবং আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। সীমিত ল্যাব সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব থাকা সত্ত্বেও নিজস্ব গভীর আগ্রহে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্পে কাজ করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই দারুণ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডক্টর মো আরিফ উল ইসলাম সুজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন যে সুজন তাঁদের বিভাগের একজন অত্যন্ত মেধাবী এবং কঠোর পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। তাঁর এই অনন্য সৃজনশীল চিন্তা অন্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক কাজে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে। প্রশাসনের এই ইতিবাচক পদক্ষেপ ভবিষ্যতে দেশের প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবদান রাখতে প্রয়োজনে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নামী সংস্থা থেকেও সুজনের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নেওয়া হবে বলে উপাচার্য আশ্বস্ত করেন। উপাচার্যের সঙ্গে এই বিশেষ সাক্ষাত্কালে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ডক্টর রহিমা নাসরিন এবং সহকারী অধ্যাপক ডক্টর মো আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া গবেষণা ও সম্প্রসারণ অফিসের পরিচালক ডক্টর সোনিয়া খান সনিও এই গৌরবময় মুহূর্তে সুজনের পাশে উপস্থিত থেকে তাঁকে উৎসাহিত করেন।