বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬,

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১১:৫৩ এএম

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

ছবি: দিনাজপুর টিভি গ্রাফিক্স

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল ও নিয়মিতকরণের লক্ষ্যে ‘অতীব জরুরি’ একটি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো নিয়মিত পরিচালনা পর্ষদের আগের ধাপে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানে আগামী দশ কর্মদিবসের মধ্যে আবশ্যিকভাবে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে এই সংক্রান্ত অফিসিয়াল চিঠি পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের গত ষোলো মার্চের সুনির্দিষ্ট পরিপত্র অনুসরণ করে নিয়মিত কমিটি গঠনের পূর্বপ্রক্রিয়া হিসেবে এই অ্যাডহক কমিটি গঠন করতে হবে। নির্ধারিত এই দশ কর্মদিবসের মধ্যে কমিটি গঠন করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে সরাসরি এর দায়ভার বহন করতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধি মোতাবেক কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বোর্ডে পাঠানো চিঠিতে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে পরিচালনা পর্ষদের পাশাপাশি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষক ও কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের অনলাইন কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর বা মাউশি ইতোমধ্যে একটি বিশেষ মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে। মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভাল্যুয়েশন উইংয়ের পরিচালক অধ্যাপক টিপু সুলতানকে এই কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

মাউশি থেকে জারি করা পৃথক এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের নির্দিষ্ট নির্দেশিকা এবং রাষ্ট্রীয় আচরণবিধি যথাযথভাবে পালন করা বাধ্যতামূলক। শিক্ষা পরিবারের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যদি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সরকারি নির্দেশিকার পরিপন্থী, বিভ্রান্তিকর, অসত্য কিংবা দাপ্তরিক শৃঙ্খলাবিরোধী কোনো পোস্ট নজরে আসে, তবে তা সঙ্গে সঙ্গে গঠিত মনিটরিং কমিটির কাছে পাঠাতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারিকৃত সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯-এর পরিমার্জিত সংস্করণ দেশের শিক্ষা খাতের সবাই সঠিকভাবে মেনে চলছে কি না, তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষক সমাজের পেশাগত দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই জোরালো পদক্ষেপগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।