সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ঘোষণা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ২৯, ২০২৫, ০৭:০১ পিএম

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ঘোষণা

দীর্ঘ ১৬ বছর পর পুনরায় চালু হতে যাওয়া জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্বে ঘোষিত তারিখ পিছিয়ে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী, এ বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আগামী ২৮ ডিসেম্বর শুরু হবে এবং তা চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।বুধবার (২৯ অক্টোবর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নির্বাহী কমিটির সভাপতি বি এম আব্দুল হান্নানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন সময়সূচির তথ্য জানানো হয়।

সংশোধিত সূচি অনুসারে, ২৮ ডিসেম্বর বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৯ ডিসেম্বর ইংরেজি, ৩০ ডিসেম্বর গণিত এবং ৩১ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে।এর আগে মাউশির ঘোষিত প্রথম সময়সূচি অনুযায়ী, এই পরীক্ষা গত ২১ ডিসেম্বর শুরু হয়ে ২৪ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। পূর্বের সূচিতে ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ থাকলেও, সংশোধিত নতুন সময়সূচিতে ফল প্রকাশের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ জানানো হয়নি।

মাউশি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু বিশেষ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে সাত দিন আগে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর,

বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। পরীক্ষায় বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস আনতে পারবেন না।জুনিয়র বৃত্তির নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক বা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সপ্তম শ্রেণির সকল প্রান্তিকের সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। পরীক্ষা হবে মোট চারটি বিষয়ে ৪০০ নম্বরের।

বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ১০০ করে মোট ৩০০ নম্বর এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় দুটি বিষয় মিলিয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রতিটি পরীক্ষার সময়কাল ৩ ঘণ্টা। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।