জুন ৩, ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম
অতিরিক্ত ভোজন, খাদ্যের অপচয় কিংবা অনিয়ন্ত্রিত অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মানুষের শারীরিক নানাবিধ জটিল সমস্যার প্রধান কারণ হতে পারে। বিশেষ করে যেকোনো উৎসবের দীর্ঘ ছুটি শেষে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফেরার পর সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পানের অভ্যাস বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
চিকিৎসকদের মতে, সুস্থ ও দীর্ঘায়ু জীবনের জন্য দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় পুষ্টিকর উপাদানের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা সুস্থতার প্রথম শর্ত।প্রতিদিনের নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাত্রা এবং সঠিক পুষ্টি উপাদানের নির্বাচন আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
ইসলাম ধর্ম কেবল কিছু ধর্মীয় ইবাদতের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানবজাতির জন্য একটি সম্পূর্ণ ও নিখুঁত জীবনব্যবস্থা প্রদান করে। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মানুষকে সময়ের নিখুঁত অনুবর্তিতা, কঠোর শৃঙ্খলা এবং পরম দায়িত্ববোধ শেখায় যা জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
একইভাবে পবিত্র রমজান মাসের রোজা মানুষকে কঠিন আত্মসংযম এবং নিজের ওপর পূর্ণ আত্মনিয়ন্ত্রণের এক অনন্য ব্যবহারিক ও মনস্তাত্ত্বিক অনুশীলন শেখায়।ধর্মীয় এই অনুশাসনগুলো শুধু আধ্যাত্মিক উন্নতির মাধ্যমই নয়, বরং মানব শরীর ও মনকে সম্পূর্ণ সুসংগঠিত করার সবচেয়ে কার্যকর বৈজ্ঞানিক উপায়।শারীরিক সুস্থতা অর্জনের ক্ষেত্রে ইসলাম সবসময় কায়িক পরিশ্রম, কর্মমুখর জীবনধারা এবং অলসতাহীন দিনযাপনকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করে থাকে।
নিয়মিত হাঁটা, হালকা ব্যায়াম এবং একটি সক্রিয় জীবনধারা শরীরকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানুষের মানসিক প্রশান্তি ও আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি করে। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানও শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে নিয়মিত কায়িক পরিশ্রমের অপরিসীম গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন কুড়িগ্রাম সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লিভার বা হেপাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মঈনুদ্দীন আহমেদ।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন