ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ০১:৫৩ পিএম
বিশ্বের অন্যতম প্রধান মহানগরী নিউ ইয়র্ক সিটি ১ জানুয়ারি পেতে যাচ্ছে তাঁর নতুন অভিভাবককে। গত ৪ নভেম্বরের নির্বাচনে সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রিও কুওমো এবং রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়ারকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট প্রার্থী জোহরান মামদানি।
বুধবার (১ জানুয়ারি) মামদানিকে শপথ পাঠ করাবেন নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস। এদিন দুপুরে সিটি হলের বাইরে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবে।
প্রখ্যাত বামপন্থি আইকন ও ভার্মন্টের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিংকন মিচেল এই শপথকে সিটির বৈচিত্র্য ও ঐক্যের প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বৈপ্লবিক নির্বাচনী ইশতেহার: মামদানির প্রধান লক্ষ্য হলো ৮.৫ মিলিয়ন মানুষের এই শহরে জীবনযাত্রার আকাশচুম্বী ব্যয় কমিয়ে আনা। তাঁর ইশতেহারের প্রধান দিকগুলো হলো: ১০ লাখ অ্যাপার্টমেন্টের ভাড়া স্থগিত করা এবং ২ লাখ নতুন সাশ্রয়ী আবাসন ইউনিট নির্মাণ। স্বল্প খরচে চাইল্ড কেয়ার সুবিধা এবং সরকারি মালিকানাধীন সুপার মার্কেট চালু। বাড়ির মালিকদের কঠোর জবাবদিহির আওতায় আনা।তবে বিদায়ী মেয়র এরিক অ্যাডামসের প্রশাসনের বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ড এই পরিবর্তনগুলো মেনে নেবে কি না, তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।
তবে গভর্নর ক্যাথি হোকুলের সঙ্গে মামদানির সুসম্পর্ক কর সুবিধা আদায়ের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।৩৪ বছর বয়সী এই কনিষ্ঠ মেয়র নভেম্বরের শেষ দিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ওভাল অফিসে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকটি অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ ছিল এবং ট্রাম্প তাঁকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। স্টেট অ্যাসেম্বলির মেম্বার হিসেবে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মামদানির হাত ধরে নিউ ইয়র্ক সিটির রাজনীতিতে এক নতুন ধারার সূচনা হতে যাচ্ছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন