সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ০৮:১২ পিএম
সৌদি আরবের লোহিত সাগর তীরবর্তী বন্দরনগরী ইয়ানবুতে অবস্থিত দেশটির প্রধান তেল স্থাপনা এবং খামিস মুশাইত সামরিক বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এই নতুন হামলার দাবি সামনে এল।
পাল্টা এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে ধারাবাহিক সংঘর্ষের ইতিহাস। হুথিদের সামরিক বাহিনী থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি তাদের বিভিন্ন অবস্থানে সৌদি জোটের পক্ষ থেকে চালানো ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার সুনির্দিষ্ট জবাব হিসেবেই এই পাল্টা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি দাবি করে যে, তাদের এই সামরিক পদক্ষেপ পূর্বপরিকল্পিত এবং অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বিবৃতির বিস্তারিত তথ্যে বলা হয়, প্রথম দফার আক্রমণটি চালানো হয় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইয়ানবু নগরীতে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি প্রধান স্থাপনা লক্ষ্য করে। এই হামলায় ডজন ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও সুসজ্জিত ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে হুথিরা দাবি করেছে। তাদের ভাষ্যমতে, উৎক্ষেপিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে, যার ফলে ওই তেল স্থাপনায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
এর পরপরই দ্বিতীয় দফায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। হুথিদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলাটিও অত্যন্ত নিখুঁত ও সফল ছিল। তবে এই জোড়া হামলার ফলে সৌদির তেল স্থাপনা ও বিমানঘাঁটিতে প্রকৃত অর্থে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিংবা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সৌদি কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
তথ্যসূত্র: আলজাজিরা

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন